সফল উদ্যেক্তা হবেন যেভাবে

Share This News

 পৃথিবীর আদি মানুষ সবাই উদ্যোক্তা ছিল পরবর্তীতে কালের বিবর্তনে  কেউ  অন্যের চাকরি করে আবার কেউ  বা নিজের উদ্যোগেই নিজের ব্যবসা দাঁড় করিয়ে উদ্যেক্তা হয়েছে।

তবে উদ্যেক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখাটা সহজ কিন্তু ধরে রাখা এবং বাস্তবায়ন করা একটু কঠিন।

 আর এই স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে  নিজেকে তৈরি করতে হয় কিছু কাজ করতে হয় কিছু অভ্যাস গড়ে তুলতে হয়।

 নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য যে যে অভ্যাসগুলো গড়ে তুলবেন আপনার মাঝে।

থেমে না থাকা 

আমরা স্বপ্ন দেখতে ভালবাসি তাই আমরা প্রতিনিয়ত স্বপ্ন দেখে চলছে।  কিন্তু এই স্বপ্নগুলো বেশিরভাগচি অবাস্তবে থেকে যায়। আমরা যখন কোন বিষয়ে চিন্তা করি বা কোন স্বপ্ন দেখি তখন সে বিষয়টা আমাদেরকে হঠাৎ মস্তিষ্কে উদ্দীপনা কারণে আমাদের মনে কিছু সময় থাকে পরে তা আবার ভুলে যায়। তাই আমাদের স্বপ্ন অনেক সময় বাস্তব হয় না।  আর স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য আমাদের লেগে থাকতে হবে আমাদের স্বপ্নের পিছে আমাদের উদ্যেগের পিছে আমাদের চলতে হবে। আমাদের থেমে থাকা যাবে না আমাদের চলতে হবে স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে।

নতুন আইডিয়া ভাবা-

প্রতিযোগিতাপূর্ণ এই বিশ্বে আমাদের নতুন নতুন প্রতিযোগী সৃষ্টি হচ্ছে আর এই প্রতিযোগিতার মাঝে টিকে থাকতে হলে আপনাকে নতুন আইডিয়া নিয়ে ভাবতে হবে. নতুন কিছু নিয়ে কাজ করতে হবে. তাহলে আপনি একজন সফল উদ্যোক্তা হতে পারবেন।

সমস্যা নিয়ে কাজ করা– 

আপনি যখন আপনার চলার পথেই পারিপার্শ্বিক সমস্যা দেখতে পারবেন এবং সেই সমস্যাগুলোকে ব্যবসায় রূপান্তর করতে পারবেন।  তখনই আপনি একজন সফল উদ্যোক্তা হতে পারবেন ।তাই পারিপার্শ্বিক সমস্যাগুলো নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করুন।  দেখবেন আপনি একজন সফল উদ্যোক্তা হতে  পারবেন খুব সহজে।

বই পড়ুন-

প্রতিদিন বই পড়ার চেষ্টা করুন আপনি একটি বই ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা দিয়ে কিনে একজনের পুরো জীবনের আইডিয়াটা আপনি নিজে জীবনী নিয়ে আসতে পারবেন । এবং কি আপনি নিত্য নতুন কাজ করার অনেক আইডিয়া সেখান থেকে পাবেন।  তাই চেষ্টা করবেন নিয়মিত বই পড়ার জন্য।  নিয়মিত বই আপনার ব্যবসা এবং উদ্যোগের কাজে খুব ভালোভাবে সহযোগিতা করবে।

ব্যর্থতাকে সফলতার হাতিয়ার বানান

 আপনি যে কাজটি করতে গিয়েই কোন সময় ব্যর্থ হয়েছেন সেই কাজটি নিয়ে আবার কাজ শুরু করেন ।এতে আপনি সফল হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে বেশি থাকবে। আপনি যেখানে ব্যর্থ হয়েছেন সেখানে আপনি ব্যর্থতার কারণ গুলো জানেন। আপনি যদি সে ব্যর্থতার কারণ গুলো খুজে বের করে এবং এগুলোর সমাধান করে আবার নতুন করে ব্যবসার পরিকল্পনা করেন তাহলে দেখবেন আপনি সেই বিষয়ে সফল।

  শিখতে ভালবাসুন-

 পৃথিবীর কত কিছুই না আমাদের অজানা, অজানাকে জানার চেষ্টা করুন। আপনি যে ব্যবসাটির  উদ্যোগ নিয়েছেন সে বিষয়ে আপনি অনেকাংশেই অজানা রয়েছে,  যে অজানা গুলোই পারে আপনার এই ব্যবসাকে বহুগুণে বাড়িয়ে  দিতে। এবং আপনার সফলতাকে নিশ্চিত করতে।

স্বপ্ন দেখুন

পৃথিবীর সবাই স্বপ্ন দেখে  একজন রিকশাচালক স্বপ্ন থাকে যে সে রিক্সা চালিয়ে ভালো কিছু করে সিএনজি অথবা অটো রিকশা কিনবে । আপনি উদ্যেক্তা আপনার স্বপ্ন থাকাটা খুবই জরুরী। আপনি স্বপ্ন দেখবেন আপনার ব্যবসা যদি হয় একটা দেশকেন্দ্রিক সেটাকে বিশ্বব্যাপী করার জন্য। কাজ করে যাবেন দেখবেন আপনার ব্যবসা একদিন বিশ্বব্যাপী সুনাম অর্জন করবে স্বপ্ন দেখতে থাকুন স্বপ্নকে ভালোবাসুন।

হাল ছাড়বেন না- 

হাল ছাড়বেন না আপনি যখন একটি উদ্যোগ নিয়ে কাজ করবেন তখন সেখানে নানা প্রতিকূলতা আসবে।সে প্রতিকূলতাকে অতিক্রম করে আপনাকে পথ চলতে হবে। এবং আপনাকে কাজ করতে হবে সে মানসিকতা নিয়ে।

কঠিন কাজে ভয় নহে-

বর্তমান বিশ্বে বাণিজ্য উদ্যোক্তা অনেকটাই কঠিন কারণ এখানে  আপনাকে নতুন ভাবে চিন্তা করতে হবে নতুন কিছু করতে হবে এবং যে কাজগুলো অন্যেরা করতে পারে না বা অন্যেরা করে না সে কাজগুলো নিয়ে আপনাকে কাজ করতে হবে তাহলে আপনি সফল হতে পারবেন।

বিভিন্ন মানুষের সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলুন-

যারা উদ্যোক্তা তাদের মূল লক্ষ্য থাকে অন্যের সাথে কোন কিছুর বিনিময় করা ব্যবসা করা। যখন আপনি অনেক লোকের সাথে  পরিচিত থাকবেন তখন আপনি সহজেই আপনি আপনার পণ্যকে অন্যের কাছে উপস্থাপন করতে পারবেন।

পরিকল্পনা করুন-

আপনি একটি কাজ পরিকল্পনা করে যত সহজে এবং ভালোভাবে সম্পন্ন করতে পারবেন ঐ কাজটি আপনি পরিকল্পনা ছাড়া করলে আপনি কাজে ব্যর্থতা হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।  এবং কাজটিতে সময় সাপেক্ষে হবে । এজন্য যেকোনো কাজ করার পূর্বে কাজ সম্পর্কে পরিপূর্ণ পরিকল্পনা করে নিন।  পরবর্তীতে কাজ শুরু করুন।

কাজের সময় সীমা নির্ধারন করুন-

কোন একটি কাজের যখন শুরুর সময় এবং এটির পরিসমাপ্তির সময় নির্ধারিত থাকবে অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপনি কাজটি শেষ করবেন বলে পরিকল্পনা নেন। তাহলে দেখা যাবে কাজটি নির্দিষ্ট সময় হওয়ার সম্ভাবনা থাকে । এবং কাজটিতে সময় কম লাগে। এজন্য যেকোনো কাজ শুরু করার আগে কাজটি একটি সময় নির্ধারণ করে রাখুন।  যাতে ঐ সময়ের ভিতর আপনি কাজটি সমাপ্ত করতে পারেন। 

 শুভ কামনা রইলও আপনাদের জন্য 


Share This News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *