রমজানের চাঁদ দেখলে নবী(স.) যে দোয়া পড়তেন

Share This News

আরবি মাস হিসেব রাখা মুসলিমদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।আর আরবি মাস হিসাব করা হয় চাঁদ দেখে।তাই চাঁদ দেখার রয়েছে অনেক গুরুত্ব ও তাৎপর্য।রমজান মুসলিমের জীবনের অন্যতম বিষয়গুলোর একটি।আর এই রমজান মাস হিসাব করা হয় চাঁদ দেখার উপর।

প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রত্যেক রমজানে নতুন চাঁদের অনুসন্ধান যেতেন।তাই রমজানে চাঁদ দেখা নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অন্যতম সুন্নাত। তবে এই সুন্নতের ব্যাপারে অনেকে না জানার কারনে অনেকটাই উদাসীন।শাবান মাসের ২৯ তারিখ সন্ধ্যায়  রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চাদের অনুসন্ধানে বের হতেন ও এবং সাহাবায়ে কেরামগণ চাদের অনুসন্ধানে বের হতে বলতেন।

নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম  রমজানের নতুন চাঁদ দেখলে  কল্যাণ ও বরকতের দোয়া করতেন।তাই নতুন চাঁদ দেখার সাথে সাথে আমরাও আল্লাহর কাছে কল্যাণের দোয়া করবও।

হযরত তালহা ইবনে ওবায়দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন নতুন চাঁদ দেখলে পড়তেন –

اَللهُ اَكْبَرُ اَللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَ الْاِيْمَانِ وَالسَّلَامَةِ وَ الْاِسْلَامِ وَ التَّوْفِيْقِ لِمَا تُحِبُّ وَ تَرْضَى رَبُّنَا وَ رَبُّكَ الله

নতুন চাঁদ দেখার দোয়ার বাংলা উচ্চারনআল্লাহু আকবার, আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা বিল আমনি ওয়াল ঈমানি ওয়াস্সালামাতি ওয়াল ইসলামি ওয়াত্‌তাওফিকি লিমা তুহিব্বু ওয়া তারদা রাব্বুনা ওয়া রাব্বুকাল্লাহ।

নতুন চাঁদ দেখার দোয়ার অর্থ- আল্লাহ মহান, হে আল্লাহ! এ নতুন চাঁদকে আমাদের নিরাপত্তা, ঈমান, শান্তি ও ইসলামের সঙ্গে উদয় কর। আর তুমি যা ভালোবাস এবং যাতে তুমি সন্তুষ্ট হও, সেটাই আমাদের তাওফিক দাও। আল্লাহ তোমাদের এবং আমাদের প্রতিপালক।’ (তিরমিজি, মিশকাত)

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শাবান মাসজুড়ে বেশি বেশি রোজা রাখতেন এবং রমজানের জন্য ব্যকুল থাকতেন।রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম  রমজানের নতুন চাঁদ দেখার জন্য অপেক্ষা করতেন। অন্যান্য মাসের চেয়ে প্রিয় নবী রমজান মাসকে বেশী গুরুত্ব দিতেন।

আমরাও রমজানকে বেশি গুরুত্ব দিবও রমজানকে ইবাদতের মাস হিসাবে গ্রহণ করবও।রমাজনে যাবতীয় পাপাচার থেকে দূরে থাকবও নিজেকে সংশোধনীর চেষ্ঠা করবও।রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম  দেখানো পথে রোজা রাখবও।

একটি হাদিসে এসেছে-

হযরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শাবান মাসের চাঁদের হিসাব যেভাবে রাখতেন অন্য কোনো মাসের হিসাব সেভাবে রাখতেন না। পরে চাঁদ দেখে রোজা রাখতেন।’ (মুসনাদে আহমদ)

একজন মুমিন মুসলমানের জন্য চাদের অনুসন্ধান  করা করণীয়।অনেক মুসলিম ইংরেজী মাস ঠিক বলতে পারলে আরবী মাস সম্পর্কে বেখায়াল।তাই আরবি মাসকে গুরুত্ব দিতে চাদের অনুঅসন্ধান একজন মুসলমানের জন্য করণীয়।আমরা রমজানের চাঁদ দেখা গেলে সুন্নত অনুসারে দোয়া পড়বও।ও রমাজানের প্রস্তুতি নিবও,

রাতে রহমতের প্রথম রহমতের তারাবি পড়ার মাধ্যমে  শুরু করবও রমজানের প্রস্তুতি।রাতে সেহেরী করে আমরা পরের দিনের রমাজনের প্রস্তুতি নিবও।

মনে রাখা জরুরি

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমাজানের চাঁদ ছাড়া প্রত্যেক মাসের চাদের অনুসন্ধানে বের হ্তেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম  রমজানের চাঁদ দেখলে অনেক খুশি হতেন। তিনি রমজানের চাঁদ দেখলে আল্লাহর প্রশংসা করতেন।রমজানের চাঁদকে সুপথ ও কল্যাণের বার্তাবহ বলে সম্বোধন করতেন ।

রমজানের চাঁদ দেখলে আমরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করবও।রমাজানের চাঁদ দেখার পর উল্লেখিত দোয়াটি পড়ার তৌফিক দান করুক।রমজানে আল্লাহর ইবাদত বেশি করার তোফিক দান করুন।


Share This News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *