জনপ্রিয় ৫ টি পর্যটন স্পট

Share This News

বাংলাদেশে কিছু স্থান যা পর্যটকদের কাছে খুব জনপ্রিয়।এই সকল স্থান যে বেশ পুরানো এমনটা নয়।
সম্প্রতি এই স্থানগুলোতে পর্যটকরা তাদের অবসর সময়কে উপভোগ করতে যাচ্ছে।আজকে আমরা এমন ছয়টি পর্যটক স্থানের নাম বলবও যা পর্যটকদের কাছে খুবই জনপ্রিয়-

নিকলি হাওর

পর্যটকদের কাছে হাওর সবসময়ে অবসরে ঘুরতে যাওয়ার জন্য আদর্শ স্থান।
আর এই তালিকা জায়গা করে নিয়েছে নিকলি হাওর।
কিশোরগঞ্জের এই নিকলি হাওর সম্প্রতি পর্যটকদের বেশ উপস্থিতিদেখা যাচ্ছে।
ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য এই স্থানটি জনপ্রিয় হওয়ার কারণ-
নিকলি হাওরে ঢাকা থেকে একদিনে গিয়ে একদিনেই ফিরে আসা যায়।

তাছড়া নজর কাড়ার মতো রয়েছে দৃষ্টিনন্দন সৌন্দর্য্য।

হাওরের মাঝ দিয়ে চমৎকার একটি রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। সেই রাস্তার দুই পাশে হাওর। কিছুদূর পর পর বসার ব্যবস্থা রয়েছে।

তাছাড়া আপনি চাইলে নিকলি হাওরে নৌকা নিয়ে ঘুরতে পারবেন।
বর্ষার দৃশ্য-

বর্ষার সময় রাস্তাটা অনেক সময় পানির নীচে থাকে। তখন রাস্তাটা ধরে অনেকদূর চলে যাওয়া যায়। কাছেই রাতারগুলের মতো একটা জলাবন আছে। ফলে সেখানে গেলে সব ধরনের আমেজ পাওয়া যায়


দেবতাখুম

ঢাকা থেকে দূরে কোথায় ঘুরতে যাওয়ার কথা আসলে পছন্দের প্রথম দিকে আসে বান্দরবানের নাম।
বান্দরবান এমনেতেই একটি পর্যটন এড়িয়া।এই এরিয়াতে বেশ কিছু জনপ্রিয় পর্যটন স্থান রয়েছে।
কিন্তু বর্তমান সময়ে জনপ্রিয় এর দিক থেকে শীর্ষে অবস্থান করেছে দেবতাখুম।

স্থানটির বিশেষত্ব-
দুই পাশে উঁচু পাহাড়ের মাঝ দিয়ে স্বচ্ছ পানি প্রবাহিত হতে থাকে। সেখানে বাঁশের ভেলা নিয়ে যেতে হয়। দুই পাহাড়ের মাঝে হওয়ায় জায়গাটি খুব শীতল আর রোমাঞ্চকর।
তাছাড়া এর কাছেই রয়েছে আরেকটি পর্যটন স্পট শীলবাধাঁ ঝর্ণা।
তবে এই স্থানে যেতে হলে চলতে হবে কিছু নিয়ম কানুনে।
সেনানিবাসের অনুমতি নিয়ে দেবতাখুম যেতে হয়। সঙ্গে গাইড থাকতে হবে।

সতর্কীকরণ-
বর্ষাকালে এই জায়গায় যাওয়া বিপজ্জনক।

চাঁদপুর ও চাঁদপুরের চর


ইলিশ মাছের জন্য বিখ্যাত স্থান হচ্ছে চাঁদপুর।
আর এই চাঁদপুর শহরের পাশেই আছে একটি চর।
যেখানে বর্তমানে ভ্রমণপিপাসুরা তাদের অবসর সময়ে ঘুরতে যায়।স্পটটিতে সবচেয়ে সহজে লঞ্চের মাধ্যমে যাতায়াত করা যায়।

স্থানটির বিশেষত্ব-
মেঘনা নদীর মাঝে গড়ে ওঠা একটি চর পিকনিক পার্টির কাছে আরেকটি মিনি কক্সবাজার হিসাবে জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

ইলিশ মাছের মোকাম হিসাবে বিখ্যাত চাঁদপুরে যাওয়ার প্রধান উদ্দেশ্য থাকে তাজা মেঘনা নদীর ইলিশ খাওয়া ও কিনে আনা।

ঢাকা থেকে স্থানটিতে লঞ্চে করে দিনে গিয়ে দিনে চলে আসা যায়।

মৈনট ঘাট

‘মিনি কক্সবাজার’ হিসাবে পরিচিত পেয়েছে ঢাকার কাছেই দোহার উপজেলায় পদ্মা নদীর তীরের মৈনট ঘাট ।পর্যটকদের আনাগোনার কারণে এখানে নদী তীরে সমুদ্র সৈকতের মতোই ছাতাসহ বসার ব্যবস্থাও তৈরি করা হয়েছে।

স্থানটির বিশেষত্ব-

নদী তীরে বালুকাবেলা আর পদ্মা নদীর ঢেউ মিলে অনেকটা সমুদ্র তীরের আদল আসে।‘ঢাকার কাছে মাত্র দুই ঘণ্টায় যাওয়া যায়। নদীর তীরে বিকেলে বসে থাকলে খুব ভালো লাগে।

ঢাকা থেকে বাস বা সিএনজি যোগে মৈনট ঘাট যাওয়া যায়।

মাওয়া ঘাট:
প্রথমে এই এই ঘাটটি ছিলো দক্ষিণবঙ্গের সাথে যোগাযোগের একটি কেন্দ্র হিসাবে। ঢাকার মধ্যে থাকা ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য বর্তমানে এই স্থানটি হয়ে উঠেছে বেশ জনপ্রিয়।
মূলত বাংলাদেশের সবচেয়ে ব্যায়বহুল পদ্মা সেতু দেখতে অনেকে ভীড় করছে স্থানটিতে।

স্থানটির বিশেষত্ব-

এখানে নদীর পাড়ের হোটেলে বসে তাজা ইলিশ মাছ ভাজি ও নানা প্রকার ভর্তা দিয়ে ভাত খাওয়া যায়।

ঢাকা থেকে নিজস্ব পরিবহন অথবা বাস দিয়ে খুব সহজে যাতায়াত করতে পারবেন।


Share This News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *