জেনে নিন ইংরেজি উচ্চারণের নিয়ম

Share This News

নিচের সূত্রগুলো থেকে জেনে নিন ইংরেজি উচ্চারণের নিয়ম

শব্দের শুরুতে KN থাকলে তার উচ্চারণ হবে “ন” এক্ষেত্রে K অনুচ্চারিত থাকে।

উদাহরণ:

Knight (নাইট) – অশ্ব।

Knee (নী) – হাটু।

Knowledge (নলেজ) – জ্ঞান

KN বা GN এর আগে vowel থাকলে K ও G উচ্চারিত হয়।

উদাহরণ:

Agnostic (এ্যাগনষ্টিক) – অজ্ঞেয়

Acknowledge (এ্যাকনলেজ) – স্বীকার করা

Acknowledgement (এ্যাকনলেজমেন্ট) – স্বীকৃতি।

Consonant এর পর “AI” এর উচ্চারণ সবসময় “এই” বা “এয়্যা” হয়।

উদাহরণ:

Nail (নেইল) – পেরেক

Straight (স্ট্রেইট) – সোজা।

Rail (রেইল) – রেলের লাইন।

W এর পরে h/r থাকলে w উচ্চারণ হয় না।

উদাহরণ:

Who (হু) – কে।

Wrestling (রেস্টলিং) – কুস্তি।

Write (রাইট) – লেখা।

Wrong (রং) – ভুল।

E A+ R এভাবে ব্যবহৃত হলে এবং R যদি word এর শেষ বর্ণ হয় তাহলে E A এর উচ্চারণ “ঈঅ্যা” হবে।

Dear (ডিয়্যার) – প্রিয়।

Fear (ফিয়্যার) – ভয়।

Bear (বিয়্যার) – বহন করা।

EA+ R+ consonant এভাবে word গঠিত হলে, EA এর উচ্চারণ “অ্যা” হবে।

উদাহরণ:

Heart (হার্ট) – হৃদয়।

Earth (আর্থ) – পৃথিবী।

Earn (আর্ন) – আয় করা।

Consonant+ EA+ consonant (R ছাড়া) এভাবে ব্যবহৃত হলে EA এর উচ্চারণ ঈ হবে।

Feather (ফেদার) – পালক।

Tread (ট্রেড) – পদদলিত করা।

Leader (লিডার) – সর্দার।

শব্দস্থিত EE+ R এভাবে ব্যবহৃত হলে R যদি word শেষ অক্ষর হয় তাহলে EE এর উচ্চারণ “ইঅ্যা” হবে।

উদাহরণ:

Peer (পিয়্যার) – সমকক্ষ।

Steer (স্টিয়্যার) – হাল ধরা।

Deer (ডিয়্যার) – হরিণ।

শব্দের শেষে “e” থাকলে “e” এর উচ্চারণ হয়না।

উদাহরণ:

Take (ঠেইক) – নেওয়া।

Fake (ফেইক) – ভূয়া।

Name (নেইম) – নাম।

Come (কাম) – আসা।

M+B পর পর থাকলে এবং B এর পর কোন Vowel না থাকলে B উচ্চারিত হয় না।

উদাহরণ:

Thumb (থাম) – হাতের বুড়ো আঙ্গুল।

Thumbnail (থামনেল) – ছোট।

Bomb (বম) – বোমা।

Comb (কৌম) – চিরুনি।

Word এর শেষে I G N থাকলে তার উচ্চারণ “আইন” হয়। এ ক্ষেত্রে G অনুচ্চারিত থাকে।

Reign (রেইন) – রাজত্ব।

Feign (ফেইন) – উদ্ভাবন করা।

Design (ডিজাইন) – আকা।

Resign (রিজাইন) – পদত্যাগ করা।

L+ M পর পর থাকলে এবং পরে vowel না থাকলে L অনুচ্চারিত থাকে।

উদাহরণ:

Palm (পাম) – তালগাছ।

Calm (কাম) – শান্ত।

Alms (আমজ) – ভিক্ষা।

শব্দে T থাকলে T এর পরে U থাকলে T এর উচ্চারণ “চ” এর মত হয়।

উদাহরণ:

Furniture (ফার্নিচার) – আসবাবপত্র।

Structure (স্ট্রাকচার) – গঠন।

Lecture (লেকচার) – বক্তৃতা।

Century (সেঞ্চুরী) – শতক।

Consonant  I A+ Consonant এভাবে Word গঠিত হলে, I A এর উচ্চারণ (আইঅ্যা) মত হয়।

উদাহরণ:

Liar (লায়ার) – মিথ্যাবাদী।

Liability (লাইয়াবিলিটি) – দায়।

Dialogue (ডায়ালগ) – কথোপকথন।

Diamond (ডায়ামন্ড) – হীরক।

I+ R+ Consonant এভাবে Word গঠিত হলে “I” এর উচ্চারণ “আই” না হয়ে “অ্যা” হয়।

উদাহরণ:

Bird (বার্ড) – পাখি।

Circle (সার্কেল) – বৃত্ত।

First (ফার্স্ট) – প্রথম।

Birth (র্বাথ) – জন্ম।

৩ বর্ণ বিশিষ্ট Word এ Consonant+ I+ E এভাবে ব্যবহৃত হলে তার উচ্চারণ “আই” এর মত হয়।

উদাহরণ:

Wise (ওয়াইস) – বিজ্ঞ

Size (সাইজ) – আয়তন।

Mice (মাইস) – ইদুর।

Rice (রাইস) – চাউল।

Consonant+ U+ Consonant এভাবে word গঠিত হলে U এর উচ্চারণ “আ” এর মত হয়।

উদাহরণ:

Nut (নাট) – বাদাম

Cut (কাট) – কাটা।

Null (নাল) – বাতিল

But (বাট) – কিন্তু।

I G H এর উচ্চারণে G উচ্চারিত হয় না। সেই অংশটুকুর উচ্চারণ “আই” হবে।

উদাহরণ:

Sight (সাইট) – দৃশ্য।

Might (মাইট) – হতে পারে।

Night (নাইট) – রাত্র।

“I O” এর উচ্চারণ সাধারণত “আইয়” হয়।

:Biography (বাইয়োগ্রাফি) – জীবনী।

Violation (ভাইয়লেশন) – ভঙ্গ।

Violet (ভাইয়লেইট) – বেগুনী রঙ।

Biology (বাইয়োলজি) – জীব বিদ্যা।

O+ consonant+ U+ consonant+ A/E/I এভাবে word গঠিত হলে, U এর উচ্চারণ “ইউ” এর মত হয়।

উদাহরণ:

Document (ডকিউমেন্ট) – দলিল।

Procurement (প্রকিউরমেন্ট) – চেষ্টা দ্বারা পাওয়া।

I+ R+ E এর ক্ষেত্রে যদি বর্ণ তিনটি word এর শেষে থাকে তবে এর উচ্চারণ “আয়্যা” হয়।

উদাহরণ:

Dire (ডায়্যার) – ভয়ংকর।

Mire (মায়্যার) – কাদা।

Admire (এ্যাডমায়্যার) – তারিফ করা।

U I + consonant এরপর vowel না থাকলে U I এর উচ্চারণ “ই” এর মত হয়।

উদাহরণ:

Guilty (গিল্টি) – দোষী।

Guilt (গিল্ট) – দোষ।

Build (বিল্ড) – নির্মাণ করা।

P+ S পরপর থাকলে এবং P এর আগে কোন vowel না থাকলে P অনুচ্চারিত থাকে।

উদাহরণ:

Psyche (সাইকি) – আত্মা

Psycho (সাইকো) – মন।

Psora (সৌরা) – খোসপাচঁড়া।

শব্দস্থিত STL এর উচ্চারণ হয় “সল্” এখানে T অনুচ্চারিত থাকে।

উদাহরণ:

Bustle (বাসল্) – অতিশয় কর্ম ব্যস্ততা।

Rustle (রাসল) – খসখস শব্দ।

Nestle (নেসলে) – বাসা বাঁধা

ইংরেজি শব্দের শেষে TCH থাকলে এর উচ্চারণ হয় “চ”।

উদাহরণ:

Batch (ব্যাচ) – ক্ষুদ্রদল।

Match (ম্যাচ) – ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।

Scratch (স্ক্র্যাচ) – আচঁড়ের দাগ।

শব্দস্থিত OA+ R থাকলে, OA এর উচ্চারণ হবে “অ্য”।

উদাহরণ:

Board (বোর্ড) – মোটা শক্ত কাগজ।

Boar (বোর) – শূকর।

Boat (বোট) – নৌকা।

Road (রোড) – রাস্তা।

E+ consonant (R ছাড়া) + E এভাবে ব্যবহৃত হলে এবং তার পর আর কিছু না থাকলে প্রথম E এর উচ্চারণ হয় “ঈ” এবং দ্বিতীয় E অনুচ্চারিত থাকে।

উদাহরণ:

Complete (কমপ্লীট) – সম্পূর্ণ।

Mete (মীট) – অংশ ভাগ করে দেয়া।

শব্দস্থিত OE এর উচ্চারণ হয় “ঈ”।

উদাহরণ

Phoenix (ফীনিক্স) – রুপ কথার পাখি বিশেষ।

Amoeba (এ্যামিবা) – ক্ষুদ্র এক কোষী প্রাণী।

Consonant এরপর OI এর উচ্চারণ হয় “অই”।

উদাহরণ:

Coin (কইন) – মুদ্রা।

Foil (ফইল) – পাত।

Join (জইন) – যোগদান করা।

শব্দস্থিত OA+ Consonant এভাবে ব্যবহৃত হলে OA এর উচ্চারণ হয় “ঔ”।

উদাহরণ:

Loan (লৌন) – ঋণ।

Toad (টৌড) – ব্যাঙ।

Road (রৌড) – রাস্তা।

UI+ consonant+ A/E/O এভাবে word গঠিত হলে সচরাচর UI এর উচ্চারণ হয় ইংরেজি “আই” এর মত।

উদাহরণ:

Guide (গাইড) – পথ প্রদর্শক।

Guile (গাইল) – ছলনা, ফাঁকি।

Misguidance (মিসগাইড্যান্স) – বিপথগামীতা।

U এর পর যদি এমন দুটি Consonant থাকে যাদেরকে আলাদাভাবে উচ্চারণ করতে হয় (ফলে প্রথমটিতে একটি syllable শেষ হয় এবং পরেরটিতে আরেকটি syllable শুরু হয়) তাহলে ঐ দুটি consonant এর পর E/I/A থাকা স্বত্তেও U এর উচ্চারণ বাংলা “আ”- এর মত হয়।

উদাহরণ:

Constructive (কনস্ট্রাকটিভ) – গঠনমূলক।

Nudge (নাজ) – কনুয়ের মৃদু ঠেলা দেয়া।

Incumbent (ইনকামবেন্ট) – বাধ্যতামূলক।

Number (নাম্বার) – সংখ্যা।

LM এর আগে কোন vowel অর্থাৎ “ই”, “ঈ” বা “এ” ধ্বনি থাকলে L উচ্চারিত হয়।

উদাহরণ:

Elm (এল্ম) – দেবদারু জাতীয় গাছ।

Filmy (ফিল্মি) – মেঘাচ্ছন্ন।

Film (ফিল্ম) – চলচ্চিত্র।

UI+ consonant+ I কিংবা consonant+ L/R+ UI এভাবে গঠিত হলে UI এর উচ্চারণ “ইউই” বা “উই” হয়।

উদাহরণ:

Ingenuity (ইনজিনিউইটি) – অকপটতা।

Liquidity (লিকুইডিটি) – তারল্য, তরল অবস্থা।

Perpetuity (প্যারপিচিউইটি) – চিরস্থায়ীত্ব।

শব্দের মাঝে E+ R ছাড়া অন্য consonant এভাবে ব্যবহৃত হলে E এর উচ্চারণ সাধারণত “এ” বা “ই” হয়।

উদাহরণ:

Comet (কমিট) – ধূমকেতু।

Comment (কমেন্ট) – মন্তব্য।

Rent (রেন্ট) – ভাড়া।

EE+ consonant (R ছাড়া) এভাবে ব্যবহৃত হলে, EE এর উচ্চরণ “ঈ” হয়।

উদাহরণ:

Need (নীড) – প্রয়োজন।

Feel (ফীল) – অনুভব করা।

Steel (স্টীল) – ইস্পাত।

Meek (মীক) – বিনম্র

R+ vowel+ CH এভাবে ব্যবহৃত হলে CH এর উচ্চারণ হবে “চ”।

উদাহরণ:

Branch (ব্রাঞ্চ) – শাখা।

Crunch (ক্র্যাঞ্চ) – গুড়ানো।

Approach (অ্যাপ্রোচ) – অভিগমন।

C এর পরে যদি I, E, Y থাকে তাহলে তার উচ্চারণ “স” হবে।

উদাহরণ:

Center (সেন্টার) – কেন্দ্র।

Cyclone (সাইক্লোন) – ঘূর্ণিঝড় ।

Cell (সেল) – কোষ।

Circle (সার্কেল) – বৃত্ত।

শব্দের শেষে MN এর পরে কোন vowel না থাকলে এবং MN পরপর থাকলে N অনুচ্চারিত থাকে।

উদাহরণ:

Solemn (সলেম) – গুরুগম্ভীর।

Condemn (কনডেম) – দোষারোপ করা।

Damn (ড্যাম) – অভিশাপ দেয়া ।

ইংরেজি শব্দের শেষে gh থাকলে তার উচ্চারণ হয় “ফ” অথবা কখনো তা অনুচ্চারিত থাকে । কিন্তু এরপর T, N বা M থাকলে gh উচ্চারিত হয় না।

উদাহরণ:

Tough (টাফ) – কঠিন।

Enough (ইনাফ) – যথেষ্ট।

Mighty (মাইটি) – বলশালী।

High (হাই) – উচ্চ।

IGH এর উচ্চারণ “আই”। “augh” এবং “ough” এর উচ্চারণ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই “অ” বা “আ” তাছাড়া eigh এর উচ্চারণ হয় এই কিন্তু Height এর উচ্চারণ ব্যতিক্রম।

উদাহরণ:

Night (নাইট) – রাত্র।

Dight (ডাইট) – সাজানো।

Fight (ফাইট) – লড়াই।

Tight (টাইট) – টানটান।

Consonant এরপর BT এর উচ্চারণ “ট” এক্ষেত্রে “B” অনুচ্চারিত থাকে।

উদাহরণ:

Doubt (ডাউট) – সন্দেহ।

Debt (ডেট) – ঋণ।

Doubtful (ডাউটফুল) – সন্দিহান।

শব্দের শেষে que এর উচ্চারণ “ক”।

উদাহরণ:

Cheque (চেক) – কিস্তি, হুন্ডি।

Baroque (ব্যারক) – বলিষ্ঠ।

Clique (ক্লীক) – ক্ষুদ্রদল।

LK এর আগে E বা U না থাকলে LK এর উচ্চারণ হবে “ক” এবং “L” অনুচ্চারিত থাকে।

উদাহরণ:

Talk (টক) – আলাপ।

Walk (ওয়াক) – হাটা।

Chalk (চক) – খড়ি।

Y সাধারণত One-syllable এর শব্দে Y, (আই) হিসেবে উচ্চারিত হয়।

উদাহরণ:

Fly (ফ্লাই) – উড়া।

Shy (শাই) – লজ্জা।

Buy (বাই) – ক্রয় করা।

Toy (টই) – খেলনা।

Joy (জয়) – আনন্দ।

Two-syllable এর শব্দে Y (ই) হিসেবে উচ্চারিত হয়।

উদাহরণ

City (সিটি) – শহর।

Funny (ফানি) – আনন্দ করা।

Happy (হ্যাপি) – খুশি।

Policy (পলিসি) – নীতিমালা।

কোন শব্দে CC+ OU/ consonant থাকলে CC এর উচ্চারণ হবে “ক”।

উদাহরণ:

Accuse (এ্যাকিউজ) – অভিযুক্ত করা।

According (এ্যাকর্ডিং) – অনুযায়ী।

Accurate (এ্যাকিউরেট) – যথার্থ।

কোন শব্দে U এরপর consonant+ vowel+….. থাকলে U এর উচ্চারণ সাধারণত “ইউ” হয়।

উদাহরণ:

Mute (মিউট) – স্তব্ধ, নির্বাক।

Tube (টিউব) – নল।

Duteous (ডিউটিয়াস) – অনুগত , বাধ্য।

কোন শব্দে U এর পূর্বে consonant+ R/L+…… থাকলে U এর উচ্চারণ সাধারণত “উ” হয়।

উদাহরণ:

Blue (ব্লু) – নীল।

Glue (গ্লু) – শিরিসের আঠা।

True (ট্রু) – সত্য।

কোন শব্দে U+E এর পূর্বে consonant + R বা L না থাকলে U এর উচ্চারণ সাধারণত “ইউ” এর মত হয়।

উদাহরণ:

Sue (স্যু) – আদালতে অভিযুক্ত করা।

Hue (হিউ) – রং।

Imbue (ইমবিউ) – অনুপ্রানিত করা।

কোন শব্দে U এর পূর্বে R বা L একক ভাবে থাকলে তার পরে E বা consonant+ E/L থাকা স্বত্তেও তার উচ্চারণ সাধারণত “উ” হয়।

উদাহরণ:

Nude (নুড) – নগ্ন, ন্যাংটা।

Lunacy (লুনাসি) – পাগলামি, বকা আচরণ।

Lutanist (লূটানিস্ট) – বীণা-বাদক।

ইংরেজি শব্দের আরোও কিছু উচ্চারণবিধি:

শব্দের মধ্য Tথাকলে “T” এর পর U হলে “T” এর উচ্চারণ “চ” হবে। যেমন:- Future (ফিউচার), Century (সেনচুরী), Mixture, Fixture.

– শব্দের মধ্য “D” এর পর G হলে “D” এর উচ্চারণ হয় না। যেমন:- Knowledge (নলেজ), Judge ( জজ), Bridge, Coleridge. – K এর পর n হলে K এর উচ্চারণ হয় না। যেমন:- Know (নো), Knee (নী), Knife (নাইফ), Knowledge (নলেজ)।

– G এর পর A, O, U থাকলে G এর উচ্চারণ”গ” হয়। যেমন:- Garden (গার্ডেন), Good (গুড), Guide (গাইড)।

– S এর পর H হলে S এর সর্বদা “শ” হয়। যেমন:- Bangladesh (বাংলাদেশ), Bush, Cash.

– W এর পর h/r হলে W এর উচ্চারণ হয় না। যেমন:- Write (রাইট), Wrong (রং), Who (হু), Wh- question এর সব।

– T এর পর io হলে “T” এর উচ্চারণ “শ” হয়। যেমন National (ন্যাশনাল)। – i/u এর পর gh হলে gh এর উচ্চারণ হয় না, যদি হয় “ফ” এর মত হবে। যেমন:- Eight (এইট), Right (রাইট), High (হাই), Enough (এনাফ), Cough (কফ)।

– ng একত্রে হলে ং”এর উচ্চারণ হয়। যেমন:- Bangladesh (বাংলাদেশ)।

– শব্দের শেষে e থাকলে “e” এর উচ্চারণ হয় না। যেমন:- Name (নেইম), Come (কাম), Take (টেক)।

– G যখন কোন শব্দে gm বা gn রুপে ব্যবহৃত হয় তখন G এর উচ্চারণ Silent হয়। প্রথমে যদি G থাকে এবং তারপরেই যদি “N” থাকে তবে G silent থাকে। Example: 1.Sign (সাইন) – চিহ্ন। 2.Campaign (ক্যামপেন) – প্রচার। 3.Reign (রেইন) – শাসন। 4.Design (ডিজাইন) – নকশা। 5.Resign (রিজাইন) – পদত্যাগ।

– C-এর উচ্চারণ কখন ‘ক’ আর কখন ‘স’ হবে ? Rule (1): C-এর পরে যদি A, L, O, R, U হয় তাহলে তার উচ্চারণ ‘ক’ হয়। কিছু সহজ উদাহরণ পড়ে মিলিয়ে দেখুন:- Can (v, ক্যান্) – পারা। Class (n, ক্লাস্) – শ্রেণি। Colour (n, কালার্) – রং। Cup (n, কাপ্) – পেয়ালা। Crime (n, ক্রাইম্) – দুর্নীতি। – Rule (2): C-এর পরে যদি I, E, Y থাকে তাহলে তার উচ্চারণ ‘স’ হবে। দেখে নিই কিছু সহজ উদাহরণ:- Center (n, সেন্টার্) – কেন্দ্র। Ceiling (n, সিলিং) – ভেতরের দিকের ছাদ। Cinema (n, সিনেমা) – প্রেক্ষাগৃহ। Cyclist (n, সাইক্লিস্ট্) – সাইকেল চালক

আরো পড়ুন-

Common Spelling Mistake BCS & Bank Job Exam


Share This News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *